চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা ও আশার প্রতীক হয়ে আসছেন তারেক রহমান: সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা ও আশার প্রতীক হয়ে আসছেন তারেক রহমান: সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা ও আশার প্রতীক হয়ে তারেক রহমান আসছেন বলে মন্তব্য করেছেন- চট্টগ্রাম-১০ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত মানুষ আজ নতুন আশায় বুক বেঁধেছে। সেই আশার নাম তারেক রহমান, সেই আশার প্রতীক ধানের শীষ। চট্টগ্রামের তারেক রহমানের মহাসমাবেশ সেটিই প্রমাণ করবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় গণতন্ত্রের পক্ষে, ভোটের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই নগরের মানুষ কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেনি। আজ আবারও চট্টগ্রাম জেগে উঠেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রত্যয়ে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জনগণের সেই হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ পরিষ্কারভাবে বুঝে গেছে—কারা ভোট কেড়ে নিয়েছে আর কারা ভোট ফিরিয়ে দিতে চায়। বিএনপি কখনো ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিএনপির শক্তি জনগণ, বিএনপির রাজনীতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার ওপর দাঁড়িয়ে।

সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, আজ সারা দেশে ধানের শীষের যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনো দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা নয়—এটি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। নারী-পুরুষ, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই রাস্তায় নেমেছে ধানের শীরকে জয় করার জন্য।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া সেই গণতন্ত্র রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা রেখেছেন। আজ তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে সাঈদ আল নোমান বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নির্বাচন। জনগণ যদি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারে, তাহলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

এদিন তিনি হালিশহর থানাস্থ ২৬ নম্বর ওয়ার্ড ফইল্যাতলী বাজার, গলিচিপা পাড়া, বি ব্লক, ফুল চৌধুরী পাড়া, আব্বাস পাড়া, চৌধুরী পাড়া, মোল্লা পাড়া, নিয়াজ পাড়া, পাঁচঘর পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।

গণসংযোগে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email